WELCOME TO MY BLOG SITE

WELCOME TO MY BLOG SITE

WELCOME TO MY BLOG SITE

WELCOME TO MY BLOG SITE

WELCOME TO MY BLOG SITE

PopUp

Showing posts with label Sports News. Show all posts
Showing posts with label Sports News. Show all posts

Tuesday, September 12, 2017

সিরিজে শুরুটা ভালো হলো না তামিমের


জয়ের জন্য দরকার ১৯৮ রান। স্বভাবতই বল নষ্ট করার সুযোগ নেই। তবে শুরুতে পাকিস্তানি পেসারদের দাপটে কিছুটা ম্রীয়মাণ ছিলেন তামিম ইকবাল। কয়েক ওভার পরেই অবশ্য ছন্দ ফিরে পান টাইগার ওপেনার। দারুণ কয়েকটি শটে দ্রুতই ১৮ রানে পৌঁছে যান তামিম। অতিরিক্ত আক্রমণাত্মক হতে গিয়ে উইকেট বিলিয়ে আসেন তিনি। বিশ্ব একাদশ ও পাকিস্তানের মধ্যকার তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে তামিমের শুরুটা ভালো হলো না। প্রথম ম্যাচে ১৮ বলে ১৮ রান করে ফিরে যান তিনি। 


এর আগে বিশ্ব একাদশকে ১৯৮ রানের লক্ষ্যমাত্রা দিয়েছে পাকিস্তান একাদশ। ফখর জামানের দুর্দান্ত ইনিংসে ভর করে প্রথম ম্যাচে বিশ্ব একাদশের বিপক্ষে পাঁচ উইকেট হারিয়ে ১৯৭ রান তুলেছে সরফরাজ আহমেদের দল। এই ম্যাচ দিয়ে ঘরের মাঠে অভিষেক হলো ফখর জামান, বাবর আজম, ইমাদ ওয়াসিম, শাদাব খান, সোহেল খান, হাসান আলী ও রুম্মান রইসদের। 
লাহোরের গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার টস জিতে পাকিস্তানকে ব্যাটিংয়ে পাঠান বিশ্ব একাদশের অধিনায়ক ফাফ ডু প্লেসিস। শুরুটা অবশ্য ভালো হয়নি স্বাগতিকদের। দলীয় ৮ রানে ফখর জামানকে ফেরত পাঠান মরনে মরকেল। এরপর প্রতিরোধ গড়েন বাবর আজম ও আহমেদ শেহজাদ। এই দুজন যোগ করেন ১২২ রান। দলীয় ১২২ রানে ফিরে যার শেহজাদ। ৩৪ বলে তিনটি বাউন্ডারিতে ৩৯ রান করেন পাক ওপেনার। খানিকবাদে ফেরেন বাবরও। তার আগে অবশ্য ৫২ বলে ৮৬ রানে দুর্দান্ত ইনিংস খেলেন এই ব্যাটসম্যান। ১০টি চার আর দুটি ছক্কার মারেন বাবর আজম। 

এরপর অবশ্য দ্রুত আরো কয়েকটি উ্‌ইকেট হারায় পাকিস্তান। তবে শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত ২০ ওভারে ১৯৭ রানের বিশাল স্কোর দাঁড় করায় দেশটি। পাকিস্তানের হয়ে শোয়েব মালিক ২০ বলে ৩৮ ও ইমাদ ওয়াসিম ৪ বলে ১৫ রান করেন।  বিশ্ব একাদশের থিসারা পেরেরা নেন দুটি উইকেট। এ ছাড়া মরনে মরকেল, ইমরান তাহির আর বেন কাটিং নেন একটি করে উইকেট।
 

Monday, September 11, 2017

অ্যান্ডারসন জাদুতে ইংল্যান্ডের জয়


অ্যান্ডারসনের জাদুকরী সুইং বোলিং বোলিংয়ে লর্ডস টেস্ট জিতল ইংল্যান্ড। পেস দাপটের টেস্ট অনুমিতভাবে ফল দেখেছে তিন দিনেই। ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ৯ উইকেটে হারিয়ে তিন ম্যাচের সিরিজ ইংল্যান্ড জিতে নিয়েছে ২-১ ব্যবধানে।

সহায়ক কন্ডিশনে সুইং বোলিংয়ের আরেকটি ‘মাস্টারক্লাস’ দেখিয়ে অ্যান্ডারসন নিয়েছেন ৪২ রানে ৭ উইকেট। ছাড়িয়ে গেছেন নিজের আগের সেরাকে। ২০০৮ সালে নিউ জিল্যান্ডের বিপক্ষে ট্রেন্টব্রিজে নিয়েছিলেন ৪৩ রানে ৭ উইকেট।
বয়সের সঙ্গে যেন আরও ধারালো হয়ে উঠছেন সুইং বোলিংয়ের এই শিল্পী। গত ১০৪ বছরে কোনো ৩৫ বছর বয়সী পেস বোলারের সেরা বোলিং এটি।
ওয়েস্ট ইন্ডিজ দিন শুরু করেছিল ২২ রানে এগিয়ে থেকে, হাতে ছিল ৭ উইকেট। প্রথম ঘণ্টাতেই তাদের নাভিশ্বাস তুলে ছাড়েন অ্যান্ডারসন ও ব্রড। দুজনের ১৪ ওভারের যুগলবন্দীতে ক্যারিবিয়নরা ২ উইকেট হারিয়ে তুলতে পারে মাত্র ১৯ রান।
ইংলিশদের সুইং বোলিংয়ের সুনিপুণ প্রদর্শনীর সামনে লড়ছিলেন কেবল শাই হোপ। আগের টেস্টের জোড়া সেঞ্চুরিয়ান এদিনও খেলছিলেন দারুণ। ওয়েস্ট ইন্ডিজের লড়িয়ে রান করার আশা টিকে ছিল তার ব্যাটেই। কিন্তু তাকেও হার মানতে হয় অ্যান্ডারসনের স্কিলের কাছে।
লাঞ্চের পর অ্যান্ডারসনের দারুণ ডেলিভারিতে ৬২ রানে বিদায় নেন হোপ। ম্যাচের ভাগ্যও পরিষ্কার হয়ে যায় অনেকটা। জেসন হোল্ডারের ২৩ রানে লিডটা পেরিয়েছে একশর বেশি।
ছোট এই রান তাড়ার কাজটি কঠিন করে তুলতে পারেনি ক্যারিবিয়ান বোলাররা। অ্যালেস্টার কুক ফিরেছেন ১৭ রানে। তবে মার্ক স্টোনম্যান ও টম ওয়েস্টলির অপরাজিত ৭২ রানের জুটিতে ম্যাচ শেষ করে দেয় ইংল্যান্ড। রানের জন্য লড়তে থাকা দুই নবীন টপ অর্ডার ব্যাটসম্যানের রান পাওয়াও ইংল্যান্ডের জন্য স্বস্তির।
তেমমই স্বস্তির, তলানির দলের কাছে আগের টেস্টে হারের পর শেষ পর্যন্ত সিরিজ জয়। অধিনায়ক হিসেবে প্রথম ইংলিশ গ্রীষ্ম জো রুট শুরু করলেন টানা দুটি সিরিজ জয় দিয়ে।
সংক্ষিপ্ত স্কোর:
ওয়েস্ট ইন্ডিজ ১ম ইনিংস: ১২৩
ইংল্যান্ড ১ম ইনিংস: ১৯৪
ওয়েস্ট ইন্ডিজ ২য় ইনিংস: ৬৫.১ ওভারে ১৭৭ (আগের দিন ৯৩/৩) (ব্র্যাথওয়েট ৪, পাওয়েল ৪৫, কাইল হোপ ১, শাই হোপ ৬২, চেইস ৩, ব্ল্যাকউড ৫, ডাওরিচ ১৪, হোল্ডার ২৩, বিশু ০, রোচ ৩, গ্যাব্রিয়েল ০*; অ্যান্ডারন ৭/৪২, ব্রড ২/৩৫, রোল্যান্ড-জোন্স ১/৩১, স্টোকস ০/৪১, মইন ০/৬, রুট ০/৫)।
ইংল্যান্ড: (লক্ষ্য ১০৭) ২৮ ওভারে ১০৭/১ (কুক ১৭, স্টোনম্যান ৪০*, ওয়েস্টলি ৪৪*, গ্যাব্রিয়েল ০/২২, রোচ ০/৪, হোল্ডার ০/১৬, বিশু ১/৩৫, চেইস ১/২৫)
ফল: ইংল্যান্ড উইকেটে জয়ী
সিরিজ: ৩ ম্যাচ সিরিজে ইংল্যান্ড ২-১ ব্যবধানে জয়ী
ম্যান অব দা ম্যাচ: বেন স্টোকস
ম্যান অব দা সিরিজ: জেমস অ্যান্ডারসন ও শাই হোপ

Sunday, September 10, 2017

রাশিয়া বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন ব্রাজিলকে দেখছেন মার্সেলো


\
সাবেক কোচ দুঙ্গার সঙ্গে বনিবনা না হওয়ায় গত বছর জাতীয় দল থেকে বাদ পড়েন মার্সেলো। খেলতে পারেননি কোপা আমেরিকার শতবর্ষী আসরে; যুক্তরাষ্ট্রের সে আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই ছিটকে পড়ে ব্রাজিল।

টানা ব্যর্থতার দায়ে চাকরি হারান দুঙ্গা, দায়িত্ব নেন তিতে। তার অধীনে মার্সেলোও ফিরে পান জায়গা, মাঝে দেশকে নেতৃত্বও দিয়েছেন তিনি। নতুন কোচের অধীনে স্বরূপে ফেরা পাঁচবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা বাছাইপর্ব পেরিয়ে প্রথম দল হিসেবে রাশিয়া বিশ্বকাপে খেলা নিশ্চিত করেছে। তাদের চির প্রতিদ্বন্দ্বী আর্জেন্টিনাকে বাছাইপর্ব উতরাতে কঠিন লড়াই করতে হচ্ছে।
প্লেয়ার্স ট্রিবিউনে নিজের একটি লেখায় ২০১৮ বিশ্বকাপে শিরোপা জয়ের প্রত্যাশার কথা জানিয়েছেন মার্সেলো। তার দৃঢ় বিশ্বাস, তিতে দলে যে কাজ করেছে রাশিয়ায় এর ফল পাওয়া যাবে।  
মার্সেলো লেখেন, “আমার শেষ একটি মিশন আছে। ২০১৮ সালের বিশ্বকাপে ব্রাজিল (স্বমহিমায়) ফিরতে যাচ্ছে। এটা লিখে রাখুন। … সত্যিই আমি বিশ্বাস করি, কোচ তিতেকে নিয়ে আমরা ব্রাজিলের পতাকাটাকে সর্বোচ্চ পর্যায়ে ফেরাতে পারবো।”      
“আমি আপনাকে বলতে পারি, তিতে অসাধারণ একজন ব্যক্তি। তিনি দায়িত্ব নেওয়ার সময় আমাকে ডেকে বলেছিলেন, ‘আমি প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি না যে, আমি তোমাকে ডাকবো কিন্তু যদি ডাকি, তুমি কি জাতীয় দলের হয়ে খেলতে ইচ্ছুক?’ আমি বলি, প্রফেসর আপনি যে আমাকে ডাকছেন আমার জন্য এটাই অনেক আবেগের বিষয়।”
“ওই ফোন কল আমার জন্য সবকিছু ছিল। এই প্রথম আমি জাতীয় দলের কোচের একটি ফোন পেয়েছিলাম। আমি ১১ বছর ধরে জাতীয় দলের হয়ে খেলছি। আমি তিতের জন্য খুনও করতে পারি। ছোট্ট একটি সোনার ট্রফি আমার দাদার কেবিনেটে রাখতে আমি যতখানি পারি তার সবটুকু করবো।”
ব্রাজিলের হয়ে এখন পর্যন্ত ৪৭টি ম্যাচ খেলেছেন মার্সেলো। কিন্তু জাতীয় দলের প্রতিনিধিত্ব করতে গিয়ে প্রায়ই খারাপ সময় কেটেছে তার।
২০১০ সালের বিশ্বকাপের দল থেকে শেষ মুহূর্তে বাদ পড়েন। ২০১৪ সালে নিজেদের মাঠে বিশ্বকাপে ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে উদ্বোধনী ম্যাচে আত্মঘাতী গোল করে বসেন তিনি। জার্মানির কাছে ৭-১ গোলে ভরাডুবির ম্যাচেও খেলেছিলেন রক্ষণভাগের এই খেলোয়াড়।
তবে রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে সাফল্যের শেষ নেই মার্সেলোর। ক্লাবটির হয়ে তিনটি চ্যাম্পিয়ন্স লিগ, চারটি লা লিগা ও দুটি কোপা দেল রে সহ ১৭টি শিরোপা জিতেছেন তিনি।