WELCOME TO MY BLOG SITE

WELCOME TO MY BLOG SITE

WELCOME TO MY BLOG SITE

WELCOME TO MY BLOG SITE

WELCOME TO MY BLOG SITE

PopUp

Showing posts with label Technology. Show all posts
Showing posts with label Technology. Show all posts

Tuesday, September 12, 2017

কেবল ৮ নয়, এলো আইফোন ১০

নামকরণের ক্ষেত্রে প্রচলিত রীতির বাইরে আইফোন ৭এস ও ৭এস প্লাস বাদ দিয়ে নতুন আইফোন ৮ ও ৮ প্লাস উন্মোচন করেছে অ্যাপল। এর পাশাপাশি আইফোনের দশ বছরপূর্তি উপলক্ষ্যে নতুন আইফোন টেন উন্মোচন করেছে প্রতিষ্ঠানটি। টেন নামকরণ করা হলেও রোমান রীতিতে X অক্ষর ব্যবহার করে নামকরণ করা হয়েছে।

বাহ্যিক দিক থেকে দেখলে আইফোন ৭ ও ৭ প্লাস এর সঙ্গে খুব বেশি পার্থক্য নেই আইফোন ৮ ও ৮ প্লাস-এর। এ ক্ষেত্রে নকশায় পরিবর্তন আনতে ডিভাইসের পেছনে অ্যালুমিনিয়ামের পরিবর্তে গ্লাস ব্যবহার করেছে প্রতিষ্ঠানটি। অ্যাপল দাবি করছে এটি তাদের ডিভাইসগুলোতে ব্যবহার করা সবচেয়ে মজবুত গ্লাস।
বাহ্যিক পরিবর্তন খুব বেশি না হলেও নতুন আইফোন ৮-এর ভেতরে প্রায় সবগুলোই নতুন যন্ত্রাংশ ব্যবহার করেছে অ্যাপল। ডিভাইসগুলোতে ব্যবহার করা হয়েছে প্রতিষ্ঠানের নতুন এ১১ বায়োনিক চিপ। এর সঙ্গে নতুন গ্রাফিক্স প্রসেসরও যোগ করেছে প্রতিষ্ঠানটি।
আইফোন ৭ প্লাস-এর ডুয়াল ক্যামেরা আপডেট করা হয়েছে আইফোন ৮-এ। আর পেছেনে গ্লাস ব্যবহার করায় এবার ডিভাইসগুলোতে ওয়্যারলেস চার্জিং প্রযুক্তি যোগ করেছে অ্যাপল। নতুন আইফোন ৮-এর ব্যতিক্রমী ফিচার বলতে শুধু ওয়্যারলেস চার্জিং-ই।
নতুন আইফোন ৮-এ খুব বেশি বাহ্যিক পরিবর্তন আনা না হলেও কার্যকারিতায় আইফোন ৭-এর চেয়ে অনেক বেশি এগিয়ে থাকার দাবি করেছে অ্যাপল।
আইফোন টেন
আইফোন টেন
আইফোন-৮ এ বেশি বাহ্যিক পরিবর্তন দেখা না গেলেও আইফোন এক্স দিয়ে গ্রাহকের মন ভরানোর চেষ্টা করেছে অ্যাপল। ডিভাইসটি দিয়ে আবারও স্মার্টফোনে বিপ্লবী পরিবর্তন আনার চেষ্টা করেছে তারা। এটিকে ভবিষ্যত প্রজন্মের স্মার্টফোন দাবি করেছে প্রতিষ্ঠানটি।
যেমনটা গুজব ও ফাঁস হওয়া ছবি থেকে ধারণা পাওয়া গিয়েছিল বাস্তবের আইফোন এক্স-এও তার প্রতিফলন দেখা গেছে। নতুন আইফোন টেন-এর সামনে প্রায় পুরোটা অংশেই পর্দা রাখা হয়েছে। নতুন পর্দার কোণাগুলো গোলাকার করা হয়েছে। আর ওপরে পর্দার কিছুটা অংশ বাদ দিয়ে বসানো ক্যামেরা, লাইট সেন্সর, ইনফ্রারেড ক্যামেরা-সহ আরও বেশ কিছু সেন্সর।
নতুন এ ডিভাইসটির পর্দার রেজুলিউশানেও পরিবর্তন আনা হয়েছে। ডিভাইসটিতে ব্যবহার করা হয়েছে সুপার রেটিনা ডিসপ্লে।
আইফোন টেন
আইফোন টেন
আইফোন ৮-এর মতোই আইফোন টেন-এর পেছনে ব্যবহার করা হয়েছে গ্লাস। আর এই ডিভাইসের ভেতরের যন্ত্রাংশও রাখা হয়েছে আইফোন ৮-এর মতো।
সামনে পুরোটা পর্দা রাখায় আইফোন টেন থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে হোম বাটন। ফলে পর্দার নীচের অংশ থেকে ওপরের দিকে সোয়াইপ করে হোমে ফেরত আসতে হবে ব্যবহারকারীকে। আর মাল্টিটাস্ক খুলতে হলে ব্যবহারকারীকে নীচ থেকে সোয়াইপ করে কিছুক্ষণ ধরে রাখতে হবে।
আগে হোম বাটন কিছুক্ষণ চেপে ধরে রাখলে অ্যাপলের ভয়েস অ্যাসিস্টেন্ট সেবা সিরি চালু হতো। এবার সিরি চালু করতে হলে গ্রাহককে পাওয়ার বাটন চেপে ধরে রাখতে হবে।
ছবি- অ্যাপল
ছবি- অ্যাপল
হোম বাটনের সঙ্গে টাচ আইডিও বাদ দেওয়া হয়েছে আইফোন এক্স থেকে। টাচ আইডির শূণ্যতা পূরণ করতে এতে নতুন ফেইস আইডি ফিচার এনেছে অ্যাপল। এর মাধ্যমে ব্যবহারকারী আইফোনের দিকে তাকালেই সেটি আনলক হয়ে যাবে। অন্ধকারেও কাজ করবে এই টাচ আইডি। এমনকি গ্রাহক তার চুলের স্টাইল বা বেশ পরিবর্তন করতে পারলেও তার মুখ শণাক্ত করতে পারবে নতুন ফেইস আইডি।
ফেইস আইডিতে সাফল্য আনতে নিউরাল নেটওয়ার্ক প্রযুক্তি ব্যবহার করেছে অ্যাপল। আর এর জন্য একটি নতুন বায়োনিক নিউরাল চিপ ব্যবহার করেছে তারা।
নতুন আইফোনগুলোর সঙ্গে ওয়্যারলেস চার্জিং সুবিধা যোগ করায় অনুষ্ঠানটিতে এয়ারপাওয়ার নামে ওয়্যারলেস চার্জিং প্যাডও উন্মোচন করেছে অ্যাপল। এতে আইফোনটি রেখে দিলেই সেটি চার্জ হতে থাকবে। শুধু আইফোনই নয় এর পাশাপাশি অ্যাপল ওয়াচ সিরিজ ৩ এবং এয়ারপডস একসঙ্গে রাখা হলেও সেগুলো চার্জ হবে।
ছবি- অ্যাপল
ছবি- অ্যাপল
১৫ সেপ্টেম্বর থেকে আইফোন ৮ ও ৮ প্লাস-এর অর্ডার নেবে অ্যাপল; সরবরাহ করবে ২২ সেপ্টেম্বর থেকে। দাম শুরু হচ্ছে ৬৯৯ ও ৭৯৯ মার্কিন ডলার থেকে।
আর নতুন আইফোন এক্স-এর দাম শুরু হচ্ছে ৯৯৯ মার্কিন ডলার থেকে। ২৭ অক্টোবর অর্ডার নেওয়া শুরু করে সরবরাহ করা হবে ৩ নভেম্বর থেকে।
অনুষ্ঠানটিতে নতুন আইফোন ছাড়াও অ্যাপল ওয়াচ সিরিজ ৩ ও অ্যাপল টিভি ৪কে উন্মোচন করেছে মার্কিন প্রযুক্তি জায়ান্ট প্রতিষ্ঠানটি।

Monday, September 11, 2017

নতুন ক্রোমবুক আনছে স্যামসাং

অর্ধযুগ পার করল গুগলের ক্রোমবুক। আর এই লম্বা সময়ে গুগল তাদের ক্রোমবুক নির্মাণ করেছে ডেল, অ্যাসার কিংবা স্যামসাংয়ের মতো টেকজায়ান্টের সঙ্গে। স্বল্পমূল্য এবং মধ্যম ধাঁচের স্পেসিফিকেশনের নোটবুক কম্পিউটার হিসেবে ক্রোমবুকের পরিচিত থাকলেও নতুন ক্রোমবুকে সম্মিলন ঘটেছে বেশ শক্তিশালী হার্ডওয়্যারের। এ খবর জানাচ্ছে ফোর্বস।
স্যামসাংয়ের নির্মিত ক্রোমবুক প্রো বাজারে আসতে যাচ্ছে আগামী এপ্রিলে। ইন্টেলের কোর এমথ্রি-৬ওয়াই৩০ হেক্সাকোর প্রসেসর ব্যবহার করা হয়েছে ক্রোমবুক প্রোতে। ৪ গিগাবাইট র‍্যাম এবং ৩২ গিগাবাইট স্টোরেজ থাকবে এখানে। ওয়েব ব্রাউজিং থেকে শুরু করে বিভিন্ন অ্যানড্রয়েড অ্যাপ এখানে চলবে বাধাহীনভাবে।
তবে নতুন ক্রোমবুকে সবচেয়ে বেশি উন্নতি ঘটেছে তার পর্দায়। ২৪০০ x ১৬০০ রেজ্যুলুশনের টাচস্ক্রিন এলইডি পর্দা অ্যাপলের ম্যাকবুকের শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী হওয়ার যোগ্যতা রাখে। অন্যদিকে ক্রোমবুক প্রো মাত্র ০.৫৫ ইঞ্চি পুরু এবং ওজন এক কেজির কিছু বেশি। সঙ্গে থাকছে দুটি ইউএসবি-সি পোর্ট। ৩.৫ মিমি হেডফোন জ্যাক, মাইক্রোএসডি কার্ড স্লট এবং ব্লুটুথের মতো আইও সুবিধা থাকছে অন্যান্য সাধারণ ল্যাপটপের মতো। অপারেটিং সিস্টেম বরাবরের মতই ক্রোম ওএস।
ক্রোমবুকের সঙ্গে থাকবে একটি টাচস্ক্রিন পর্দার উপযোগী পেন, যার ফলে বিভিন্ন অ্যাপ আরো বেশি স্বাচ্ছন্দ্যে ব্যবহার করা যাবে। ৩৬০ কোণে বাঁকানো যাবে ক্রোমবুক প্রোকে, যার ফলে ট্যাব হিসেবেও ব্যবহারে কোনো সমস্যা থাকবে না।  
গুগলের ক্রোমবুক দিন দিন আরো বেশি শক্তিশালী হয়ে উঠছে। এমনকি অনেক শক্তিশালী পিসি এবং ম্যাকবুকের সঙ্গেও প্রতিযোগিতায় নামতে যাচ্ছে তারা। মার্চ মাস থেকে পাওয়া যাবে ক্রোমবুক প্রো, যার দাম ধরা হয়েছে ৫৪৯ মার্কিন ডলার।

মুখের কথা বুঝবে রিমোট কন্ট্রোল

বিশ্ব পাল্টাচ্ছে এবং সেটা খুব দ্রুত। এই দ্রুত পরিবর্তনের পেছনে বড় ভূমিকা রাখছে প্রযুক্তি। দূর নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে এত দিন টেলিভিশন থেকে শুরু করে গাড়ি নিয়ন্ত্রণ করার কথা আমরা শুনেছি। কিন্তু এই নিয়ন্ত্রণের যন্ত্রে যদি বসিয়ে দেওয়া হয় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা? তাহলে অনেকটা মানুষের মতো কথা বলে চালানো হবে যন্ত্রগুলোকে।
এমনই এক যন্ত্রের কথা বলব এখানে, যা বাজারে আসছে আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই। ছোট এই যন্ত্র দেখতে রিমোট কন্ট্রোল স্টিকের মতোই হবে দেখতে। ব্রিটিশ গণমাধ্যম ইনডিপেনডেন্টের বরাতে জানা গেল, কণ্ঠস্বর চিহ্নিত করে নির্দেশনা পৌঁছে দেওয়ার যন্ত্রটি বাজারে ছাড়ছে অ্যামাজন, এই যন্ত্রটি পরিচিত হবে পরবর্তী প্রজন্মের ফায়ার টিভি স্টিক নামে। নাম শুনেই বুঝতে পারছেন, প্রধানত টেলিভিশন পরিচালনা করতেই ব্যবহার হবে এটি। তবে এতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স যোগ হচ্ছে বলেই ব্যবহারকারীরা অনেক সুবিধা পাবেন। এর আগে অ্যামাজনের ইকো স্পিকারসহ বিভিন্ন সরঞ্জামে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার হয়েছে।

অ্যামাজন থেকে জানানো হয়, পাশে বসা বন্ধুকে বলার মতো করে বললেই হবে, ফায়ার টিভি স্টিক সেটি চিহ্নিত করে টিভির উপযোগী তরঙ্গ তৈরি করে ফেলবে। তাঁরা বলছেন, ‘শুধু বলবেন, সাসপেন্স থ্রিলার খোঁজ বা নেটফিক্সটা খোল। অ্যালেক্সা (দূর নিয়ন্ত্রণের জন্য অ্যামাজনের একটি অ্যাপলিকেশন) সাড়া দেবে আপনার কণ্ঠস্বরে। আবার অ্যামাজনের ভিডিওগুলো সামনে এগিয়ে দেখা বা পেছনে ফিরিয়ে দেখা দুটোই করতে পারবেন আপনার কণ্ঠস্বরের মাধ্যমে। শুধু অ্যালেক্সাকে আদেশ করবেন, ভিডিওটিকে ৩০ সেকেন্ড পেছনে নাও বা দুই মিনিট সামনে নাও।’

নতুন এই ফায়ার টিভি স্টিক দিয়ে কিন্তু আরো কাজ করা সম্ভব হবে অ্যালেক্সা অ্যাপের কারণে। এই রিমোট দিয়ে আপনার স্মার্ট হোম ডিভাইসগুলোও কাজ করবে। শুধু কি তাই? রিমোটের কাছে জিজ্ঞেস করে নিতে পারবেন আবহাওয়ার খবর, খেলার স্কোর, ছাড়তে পারবেন গান। শুধু তাই নয়, বাজারের সদাই থেকে বাইরে খেতে বা ঘুরতে যাওয়ার জন্য গাড়িও ভাড়া করতে পারবেন এই রিমোট দ্বারাই। 

অ্যামাজন ডিভাইস ইন্টারন্যাশনালের ভাইস প্রেসিডেন্ট জররিট ভ্যান ডার মিউলেন বলেন, ‘নতুন অ্যামাজন টিভি স্টিক সম্পূর্ণভাবে নতুন প্রযুক্তিতে তৈরি করা হয়েছে।

এর অবিশ্বাস্য ক্ষমতা এবং শক্তিশালী কণ্ঠস্বর অনুসন্ধানের সঙ্গে অ্যালেক্সা শক্তিসম্পন্ন রিমোট তাৎক্ষণিকভাবে আপনাকে সুবিশাল ছবি, টিভির অনুষ্ঠান, গেম বাছাইয়ের সুযোগ করে দেবে। যা প্রকাশ করবে অ্যালেক্সার দক্ষতা।’

অ্যামাজনের দাবি, তাদের নতুন টিভি স্টিক আগের সংস্করণ থেকে ৩০ শতাংশ দ্রুত এবং এর নতুন ইউজার ইন্টারফেস দেবে। টিভির পেছনের এইচডিএমআই পোর্টে ফায়ার টিভি স্টিকের সংযোগ দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ইন্টারনেটের মাধ্যমে আপনি ঢুকে যাবেন সুবিশাল বিনোদনের জগতে। যেখানে অপেক্ষা করছে নেটফ্লিক্স, বিবিসি আই প্লেয়ার, আইটিভি হাব, অল ফোর, মাই ফাইভ ও অ্যামাজন প্রাইম ভিডিও। ৩৯.৯৯ পাউন্ডের এই ফায়ার টিভি স্টিক বাজারে আসছে ৬ এপ্রিল।

Sunday, September 10, 2017

কম্পিউটার গেম ফিরিয়ে দেবে মানুষের স্মৃতি!


স্মৃতিবিভ্রমে (ডিমেনশিয়া) রোগে আক্রান্ত মানুষের স্মৃতিশক্তি ফিরিয়ে দিতে সক্ষম একটি কম্পিউটার গেম উদ্ভাবন করেছেন বিজ্ঞানীরা।
স্মৃতিবিভ্রম নিয়ে গবেষণাকারী যুক্তরাজ্যের প্রতিষ্ঠান ‘আলঝেইমারস রিসার্চ ইউকে’র বিজ্ঞানীরা যুগান্তকারী এই গেমটির উদ্ভাবন করেন।

বিবিসির খবরে বলা হয়, ‘সি হিরো কুয়েস্ট’ নামে গেমটিতে নাবিকের ভূমিকায় থাকবেন স্মৃতিবিভ্রমে আক্রান্ত ব্যক্তি। তার জন্য চ্যালেঞ্জ থাকবে উত্তাল পানিপথে, কঠিন বরফের মধ্য দিয়ে যাওয়ার সময় সব প্রতিবন্ধকতা উপেক্ষা করে সঠিকভাবে নির্দেশনা দিয়ে এগিয়ে যাওয়া। 

স্নায়ুবিজ্ঞানীরা বলছেন, এটা শুধু খেলাই নয়, যখন ওই ব্যক্তি খেলতে থাকবেন তখন অসংখ্য তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ হতে থাকবে। পরে তথ্য-উপাত্তগুলো মূল্যায়ন করা হবে। এতে তরুণ বয়সের যেসব স্মৃতি হারিয়ে গেছে, সেগুলোও উঠে আসবে।

সুইজার‍ল্যান্ডের জুরিখের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ইটিএইচ জুরিখের কগনেটিভ সায়েন্স বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ক্রিস্টফ হোলশার বলেন, ‘এটা আমাদের এমন এক সুযোগ করে দেবে, যার সাহায্যে অসংখ্য তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করা যাবে, যা বর্তমান সময়ের কোনো প্রযুক্তির মাধ্যমে করা সম্ভব নয়।’

বিবিসির খবরে বলা হয়, যুক্তরাজ্যে এখন প্রায় সাড়ে আট হাজার মানুষ স্মৃতিবিভ্রম রোগে আক্রান্ত হয়ে জীবনযাপন করছেন, যা ২০৫০ সালের মধ্যে ৪০ হাজারে দাঁড়াতে পারে। যারা স্মৃতিবিভ্রম রোগে আক্রান্ত, তাদের প্রায় অধিকাংশের ক্ষেত্রেই সম্পূর্ণ অসুস্থ হওয়ার আগে উপসর্গ দেখা দিয়েছিল।’

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এখন পর্যন্ত এমন কোনো ওষুধ আবিষ্কার হয়নি, যা স্মৃতিবিভ্রম রোগে আক্রান্ত হওয়া থেকে ঠেকাতে পারে কিংবা ভালো করতে পারে। কিন্তু এ কথা সর্বজনবিদিত যে রোগাক্রান্ত হওয়ার আগে রোগীর কী ধরনের উপসর্গ দেখা দিয়েছিল, সে সম্পর্কে চিকিৎসকরা যদি জানতে পারেন, তবেই তারা চিকিৎসার কাজ এগিয়ে নিতে পারেন।

স্নায়ুবিজ্ঞানীরা ২০১৬ সালে গেমটি আন্তর্জাতিক পর্যায়ে প্রথমবারের মতো উপস্থাপন করে। ডয়চে টেলিকম নামে জার্মানির এক প্রতিষ্ঠান এই প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য অর্থায়ন করছে। এদের প্রাথমিক লক্ষ্য হচ্ছে, স্মৃতিবিভ্রমে আক্রান্ত লোকদের পরীক্ষা-নিরীক্ষার আওতায় আনা।

Saturday, September 9, 2017

৬৬৫ দিনের মহাকাশ ভ্রমণ শেষে পৃথিবীতে ফিরে নাসা’র নারী নভোচারীর রেকর্ড!


বন্ধুরা কেমন আছেন সবাই ? আশা করি ভালো। আজ কথা বলবো পৃথিবীর বাইরের কিছু বিষয় নিয়ে। অর্থাৎ মহাকাশ নিয়ে। বিশেষ করে সম্প্রতি ঘটে যাওয়া একটি খবর নিয়ে। তার আগে এ বিষয়ে কিছু কথা বলে নেয়া ভাল।
মহাকাশের প্রতি আগ্রহ মানুষের বহু দিনের। ১৬১০ সালে সর্বপ্রথম গ্যালিলিও একটা টেলিস্কোপ বানিয়েছিলেন রাতের আকাশে তারা দেখার জন্য। সেটা দেখা পর্যন্তই থেমে থাকেনি। মানুষের ইচ্ছা হয়েছে সেখানে যাবার। কিন্তু আফসোস! তখনকার প্রযুক্তি এত উন্নত ছিল না। কিন্তু তাই বলে মানুষ কি বসে থাকবে? থাকেনি।
১৮৬৫ সালে ফরাসি লেখক জুল ভার্ন প্রকাশ করে ফেললেন সায়েন্স ফিকশান 'ফ্রম দ্যা আর্থ টু দ্যা মুন'। ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেল। মানুষের স্বপ্নগুলো বাড়তে লাগলো। বলে রাখা ভাল যে জুল ভার্ন কিন্তু একজন স্বপ্নবিলাসী লেখক ছিলেন। 'অ্যারাউন্ড দ্যা ওয়ার্ল্ড ইন এইটি ডেইজ' লিখে মানুষের স্বপ্নগুলোকে তিনিই দীর্ঘায়িত করেছিলেন।
এরপর মানুষ যখন প্রযুক্তির ব্যবহার শিখলো, তখন একে একে মহাকাশে পাঠানো হলো মাছি, ইঁদুর, কুকুর, ব্যাঙ, বানর ইত্যাদি। এছাড়াও কেঁচো, মাকড়সা, পিঁপড়া, মৌমাছি, মাছও পাঠানো হয় মহাকাশে। ব্যাপারটা কেমন না? মানুষের আগে মহাকাশ জয় করেছে সামান্য একটা মাছি বা বানর!
জীবজন্তু পাঠিয়ে মহাকাশের আবহাওয়া বা পরিবেশ সম্পর্কে ধারণা লাভ করার পর  ১৯৬১ সালের ১২ এপ্রিল প্রথমবারের মতো মানুষ পাঠানো হয় মহাকাশে। মহাকাশের প্রথম মানুষ ইউরি গ্যাগারিন। কিন্তু মহিলারা বসে থাকবে কেনো। তারাও মহাকাশে যাবে।
ঠিক দু'বছরের ব্যবধানে ১৬ জুন, ১৯৬৩ সালে মহাকাশ ভ্রমণ করেন একজন নারী, ভ্যালেন্তিনা তেরেসকোভা। এরপর ১৯৬৯ সালের ২০ জুলাই চাঁদ পর্যন্ত জয় করলো মানুষ। নিল আর্মস্ট্রং-এর স্বপ্নালু সেই লাইনটা মানুষকে আরো স্বপ্নবিলাসী করে তুললো।







                               নাসা'র নভোচারী পেগি হুইটসন স্পেসওয়াক-এর সময়।
যারা The Martian (2015) সায়েন্স ফিকশান মুভিটা দেখেছেন তারা জানেন যে, হ্যাঁ মানুষ এখন অন্যান্য গ্রহে বসবাসের স্বপ্নও দেখছে। সেই মুভিতে দেখানো হয় প্রতিকূল পরিবেশ থেকে বেঁচে কীভাবে একজন মঙ্গল গ্রহে আলু চাষ করে। হ্যাঁ, কালক্রমে এভাবেই মানুষ সবকিছু জয় করে যাচ্ছে।
এবার আসি সাম্প্রতিক ঘটনা নিয়ে। মার্কিন নভোচারী পেগি হুইটসন এক দুঃসাহসিক মহাকাশ যাত্রা পাড়ি দিয়ে গত শনিবার পৃথিবীতে অবতরণ করে রেকর্ড তৈরি করেছেন।  আর এটি মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থার প্রথম কোনো ঘটনা। হুইটসন পৃথিবীর বাইরে কাটিয়েছেন ৬৬৫ দিন যার মধ্যে ২৪৪ দিন তাকে একা কাটাতে হয়েছে যা কি না এর আগে কোনো আমেরিকান বা বিশ্বের কোনো মহিলার দ্বারাই সম্ভব হয় নি।
ঐদিনের ঠিক কয়েক ঘন্টা আগে তিনি আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশন অতিক্রম করেন। সেখানে ছিলেন আরো একজন আমেরিকান ও রাশিয়ান। রবিবার সূর্যোদয়ের পরপরই তাদের সয়্যুজ (Soyuz) ক্যাপসুল কাজাখস্তানে অবতরণ করে।
মহাকাশ পরিভ্রমণকালে তিনি বেশ কয়েকটি রেকর্ড তৈরি করেছেন। বিশ্বের সবচেয়ে বেশি বয়সী নারী মহাকাশচারী। তার বয়স ৫৭ বছর। আর সবচেয়ে অভিজ্ঞ নারী মহাকাশচারী। আর তিনিই প্রথম নারী যিনি দুইবার মহাকাশ স্টেশনে নেতৃত্ব দিয়েছেন এদিকে নভোচারী ফোডোর ইউর্শিখিন ৫ টি মিশন মিলিয়ে মোট ৬৭৩ দিন অতিবাহিত করে মহাশূণ্যে। নাসা'র নভোচারী জ্যাক ফিশার পৃথিবীতে ফেরেন ১৩৬ দিন মহাকাশে থাকার পর। তিনি গত এপ্রিলে পাড়ি জমিয়েছিলেন। আমরা বাঙালীরা কোথায় পড়ে আছি!
বিদায় মুহূর্তটা খুবই আবেগঘন ছিল হুইটসন, ইউর্শিখিন ও ফিশার'এর জন্য। সয়্যুজ-এ ফেরার সময় তারা একে অপরকে জড়িয়ে ধরেন। শেষবারের মতো সয়্যুজ চালুর পূর্বে ইউর্শিখিন বারবার তার হাত দিয়ে আবেগঘন বিদায়ী ইশারা করছিলেন। মহাকাশ স্টেশনের নতুন কমান্ডার র‌্যান্ডি ব্রেসনিক বলেন, "হুইটসন, ইউর্শিখিন ও ফিশার-এর ১,৪৭৪ দিনের এই মহাকাশ যাত্রাটি একটি বিরল ঘটনা"। তিনি অবাক হয়ে বলেই ফেলেন, ''চার বছর, দুই সপ্তাহ!"
মহাকাশে পাড়ি জমানোর প্রাক্কালে ব্রেসনিক তাদের বলেন, "তোমাদের এই মহৎ ত্যাগের  জন্য আমরা তোমাদের কাছে ঋনী"। তিনি হুইটসনকে "আমেরিকান স্পেস নিন্‌জা" বলে অভিহিত করেন আর তাদেরকে শুভ কামনা জানান। হুইটসন, পেশায় একজন বায়োকেমিস্ট, তিনবার মহাকাশ স্টেশন ভ্রমণেই তিনি দুর্দান্ত কাজ করেন এবং আরো কাজ করতে চান। আরো বৈজ্ঞানিক গবেষণায় রাখতে চান নিজেকে। অন্যান্য বিজ্ঞানীদের মতে, তাকে দমিয়ে রাখা সত্যিই কঠিন। এমনকি তিনি মহাকাশে থাকাকালে শুকনো খাবার সংরক্ষণ নিয়েও গবেষণা করেছেন।
হুইটসন-এর ফেরার কথা ছিল জুন মাসে, ছয় মাস মহাকাশে কাটিয়ে। কিন্তু সয়্যুজ-এ যখন অতিরিক্ত একটা সুযোগ মিললো, তিনি নিজেকে আরো অতিরিক্ত তিন মাস ভ্রমণের জন্য নিজেকে উজার করে দিলেন। কেবল একটি মিশনে বেশি সময় থাকা আর একজনই আমেরিকান আছেন। তিনি হলেন স্কট কেলি।
মিশন শেষ হবার কয়েক সপ্তাহ আগে হুইটসন বলছিলেন যে তার মিশনের সময় দ্রতই শেষ হয়ে আসছে। তিনি পৃথিবীর পিৎজা খাবার জন্য উন্মুখ হয়ে বসে আছেন। মজা করে আরো বলছিলেন যে পৃথিবীর রেগুলার টয়লেট ব্যবহারের জন্য অপেক্ষার কথা। কারণ, মহাকাশে টয়লেট ব্যবহার পৃথিবীর মতো এতটাও সুবিধাজনক নয়। তিনি তার স্বামীর সাথে দেখা করতেও খুবই আগ্রহী ছিলেন। তার স্বামীও একজন বায়োকেমিস্ট। তিনিও হাউজস্টোন-এ জনসন স্পেস সেন্টারে কাজ করেন।
হারিকেন হার্ভে'র কারণে, অবতরণের সময় নাসা'র লোকজন হাউজস্টোন থেকে কলম্বিয়ায় যেতে পারছিলেন না। তখন ইউরোপিয়ান স্পেজ এজেন্সি হুইটসন ও ফিশারকে জার্মানিতে নেবার প্রস্তাব দেয় যেখানে নাসা'র লোকজন তাদের প্লেন নিয়ে থাকবে মিশনটি আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ করার জন্য।
রবিবার রাতে তাদের হাউজস্টোনে ফেরার কথা। এদিকে মহাকাশ স্টেশনের বাকী তিনজন ব্রেসনিক, একজন রাশিয়ান ও একজন ইতালিয়ান, তারা আগামী ১২ই সেপ্টেম্বর কাজাখস্তান থেকে দুইজন আমেরিকান ও একজন রাশিয়ানের সাথে একত্রে যোগদান করবে সেখানে।

Friday, September 8, 2017

আসছে ৪০০ জিবির মেমোরি কার্ড


মনের স্মৃতির পাতায় অগণিত স্মৃতি রাখা গেলেও প্রযুক্তির স্মৃতির পাতা বা মেমোরি কার্ডে সেই সুযোগ নেই। সেখানে একটি নির্দিষ্টমাত্রা পেরুনোর পর আর স্মৃতি সংরক্ষণ করা যায় না। সংরক্ষণ করতে চাইলে পুরনো স্মৃতি ফেলে নতুন স্মৃতি তুলে রাখতে হয়। কোন স্মৃতি ফেলে দিবেন আর কোন স্মৃতি তুলে রাখবেন- এটা নিয়ে ব্যবহারকারীকে পড়তে হয় দোটানায়। তবে গ্রাহকদের সেই দোটানা থেকে মুক্তি দিতে স্যানডিস্ক বাজারে নিয়ে এসেছে ৪০০ জিবির মেমোরি কার্ড। 
প্রযুক্তিবিষয়ক ওয়েবসাইট ম্যাশেবলের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত সপ্তাহে জার্মানির বার্লিনে স্যানডিস্ক তাদের এই মেমোরি কার্ডটি উন্মুক্ত করে। একইদিন মেমোরি কার্ডের পাশাপাশি ১৮ কোর প্রসেসরসমৃদ্ধ মনস্টার পিসি, গ্যাজিলন ভিআর হেডসেটের ঘোষণাও দেয়। 

তবে এতকিছুর মাঝেও আলাদাভাবে নজর কেড়েছে স্যানডিস্কের ৪০০ জিবির মেমোরি কার্ড। প্রথমদিকের ম্যাকবুক প্রোয়ের চেয়ে তিনগুণ বেশি জায়গা রয়েছে এই মেমোরি কার্ডে। যদি আপনি বইয়ের সংগ্রাহক হন তাহলে এই মেমোরি কার্ডে আস্ত একটি ডিজিটাল লাইব্রেরি রাখা সম্ভব। মেমোরি কার্ডে প্রতিটি এক মেগাবাইটের প্রায় চার লাখ বই সংরক্ষণ করা যাবে।  

প্রতিটি ১২ মেগাপিক্সেলের দুই মেগাবাইট আকারের প্রায় দুই লাখ ছবি আপনি সংরক্ষণ করতে পারবেন এই মেমোরি কার্ডে। এ ছাড়া চার মেগাবাইট করে এক লাখ গান, চার জিবি করে প্রায় ৮৮টি হাই-ডেফিনিশন চলচ্চিত্র সংরক্ষণ করা যাবে এই মেমোরি কার্ডে। আর ব্লু রে ছবির ক্ষেত্রে সে সংখ্যা দাঁড়াবে ১৬টি। 

বর্তমানে বহুল ব্যবহৃত ৩২ জিবি মেমোরি কার্ডে প্রায় এক হাজার ৬০০ ছবি, আট হাজার গান ও সাতটি হাই-ডেফিনিশন ছবি ধারণ করা সম্ভব। অতএব এই হিসেব থেকেই ৪০০ জিবির মেমোরি কার্ডের বিশালতা আন্দাজ করা যায়। এর আগে মেমোরি কার্ডের সর্বোচ্চ মাত্রা ছিল ২৫৬ জিবি। নতুন এই মেমোরি কার্ড তাই ভেঙে দিয়েছে অতীত রেকর্ডও। স্যানডিস্কের ৪০০ জিবির এই মেমোরি কার্ডের দাম ধরা হয়েছে ২৫০ মার্কিন ডলার।